ম ন আলম ফরিদ

আমার ব্যক্তিগত ব্রগ

বাংলা ব্লগিং এখন ক্রান্তিকালে অক্টোবর 24, 2007

যার অধীনে আছে: সমসাময়িক — mnalamfarid @ 2:29 পুর্বাহ্ন

মূলভাব: বাংলা ব্লগ এখন ক্রান্তি কাল পাড়ি দিচ্ছে
ভাবের সম্প্রসারণ: হাসন রাজার একটা গান আছে।
রঙের বাড়ঐ রঙের বাড়ঐরে ভীষন উন্দুরায় লাগাল ফাইলো।
উগার ভইরা থইলাম ধান, খাইয়া তুশ বানাইল।
……………………………………………
উন্দুরা মারিবার লাগি বিলাই আনলাম ঘরও
বিলাই আর উন্দুরা বেটায়, এক্কই ছালে চলইন।
…………………………………………….
হাসন রাজায় কয়রে বাড়ঐ, ভিতরের উন্দুর মার
সব কিছু ছাড়িয়া দিয়া বন্দুর চরণ ধর।”

বাংলা ব্লগিং যখন শুরু হলো দেখতাম তখন সকলেই মজার মজার ব্যাপার নিয়ে আসছে। লেখছে, মন্তব্য করছে। তারপর একটা যুগ আসল আমরা বিভক্তিতে পড়লাম। কিছু ব্লগার তাদের মতামত, তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং তাদের জ্ঞান অন্যকে জাহির করার পায়তারার যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়লেন। কিছু ছিলেন প্রগতিশীল লেখক। তারাও চালালেন তাদের ভাষা। এক অঘোষিত যুদ্ধ। যেন আরেক মুক্তিযুদ্ধ। এখানে হানাদার নেই তবে আছে তাদের এদেশীয় মিত্র- স্বাধীনতা বিরুধীরা। স্বাধীনতার পক্ষের যুদ্ধারাও উত্তর দিতে থাকলেন । তাও শেষ হলো না। তার উপর যুক্ত হলো সমাজের কিছু কীট-আবর্জনা। নতুন নতুন নিক নিয়ে যা-তা করা। অশ্লীলতা, কতো যে অসভ্যতা হলো। তার আর কোন ইয়ত্তা নেই। যুদ্ধ থামল না। এটা গেরিলা যুদ্ধ তাই চলতে থাকলো থেমে থেমে। বেচারা এডমিনিসট্রেটর আর কি করে। উন্দুরা মারিবার লাগি বিলাই আনল ঘরও। তারাও আমদানী করতে লাগলেন বিভিন্ন বুদ্ধি, কৌশল আর পদ্ধতি। তাতে কি আর কাজ হয়। শেষ পর্যন্ত বিলাই আর উন্দুরা বেটা এক্কই চালে চলইন। মানে যারা আগেই উগারো (ধান জমা রাখার জায়গা – সিলটি শব্দ) ঢুকি গেছে তারা তো আর বাইর হইল না। তো আর বিলাই আইন্ন্যা কি লাভ হইল। এডমিনিসট্রেটরা নতুন নতুন ব্লগারদের আর রেজিস্টার করতে দিলোনা এতো সহজে। তারা তাদেরকে মনিটর করতে লাগল। দিন যায় সপ্তাহ যায় আর তাদের মনিটরিং শেষ না হয়। চলতেই থাকে এডমিনিসট্রেটরদের নতুন ব্লগারদের মনিটরিং। কিন্তু হায় হাসন রাজাতো আগেই কইয়া গেছইন। “রঙের বাড়ঐ রঙের বাড়ঐরে ভীষন উন্দুরায় লাগাল ফাইলো। উগার ভইরা থইলাম ধান, খাইয়া তুশ বানাইল। উন্দুরা মারিবার লাগি বিলাই আনলাম ঘরও, বিলাই আর উন্দুরা বেটায়, এক্কই ছালে চলইন। হাসন রাজায় কয়রে বাড়ঐ, ভিতরের উন্দুর মার, সব কিছু ছাড়িয়া দিয়া বন্দুর চরণ ধর।”
তাই এডমিনিসট্রেটরদের বলি। সব কিছু ছাড়িয়া দিয়া বন্দের চরণ ধরেন। তাইলেই শান্তি। আগে ভীতরের উন্দুর মারেন। তা নাহলে ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত গল্প রবিনসন ক্রুসুর দশা আপনাদের হতে পারে। আর এভাবে নতুন ব্লগারদের আটকে রেখে আসলে আপনারা মূলত তাদের বিরক্তিই নিচ্ছেন। তাই আশা করি হাসন রাজার গীতিকবিতাটির মমার্থ আপনারা উপলব্ধি করতে পারবেন।

 

সিলটি ভাষা ও আমাদের জাতীয়তাবোধ ১ অক্টোবর 8, 2007

যার অধীনে আছে: সিলটি ভাষা — mnalamfarid @ 1:54 অপরাহ্ন

ভাষা ও সাহিত্যের সম্পর্ক রক্ত আর নাড়ির মতো। এক ছাড়া অন্য ভাবা যায় না। আলোচনায় যাবার আগে ভুমিকায় এইটুকুই বলতে চাই বাংলা ভাষা আজ পৃথিবীর ৪র্থ জনবহুল ভাষা এবং জনপ্রিয়তার দিক দিয়েও বাংলা বেশ এগিয়ে। রবীন্দ্র বলয়ে বাংলা সাহিত্য তার ষোলকলা পূর্ণ করে বিশ্বসাহিত্যে একটা বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য আজ বিশ্ব ঐতিয্যের অংশ। বাংলার এই মহিরূহ বৃত্তের আশপাশে ছোটখাটো ভাষা ও সাহিত্য থমকে গিয়ে বাংলার রূপে মিশে গিয়েছিল। কালের পরিক্রমায় সেই ছোট জাতিসত্বাগুলো আবার বিকশিত হওয়ার সময় এসেছে। ইন্টারনেটের প্রযুক্তি আজ দুনিয়ার সকল জায়গায় বিরাজমান এবং এই বিশ্বায়ন প্রযুক্তি একদিকে যেমন সব কিছু কেড়ে নিচ্ছে তেমনি এমন কিছু সম্ভাবনা ছুড়ে দিচ্ছে যা আগের আধুনিক যুগে ছিল না। এখন আসি মূল আলোচনায়। সিলটি ভাষা একটি আঞ্চলিক ভাষা না পূর্ণ ভাষা তা নিয়ে গত শতাব্দিতে বহু তর্কবিতর্ক হয়েছে। কিন্তু সিলটি ভাষা সৈনিকরা বসে নেই। এটা এখন দৃশ্যমান সত্য যে সিলটি ভাষা একটা আলাদা ভাষা এবং সাহিত্য ও ভাষা ভিত্তিক শ্রেণীবিন্যাস প্রমাণ করে যে সিলটি ভাষা অসমি আর বাংলার গর্ভ থেকেই সৃষ্টি হাজার খানেক বছর আগে। এই ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সিলটি ভাষায় অধিক পরিমান আরবি ও ফারসি শব্দের ব্যবহার। এই প্রবন্ধে এই সব দৃষ্টিকোন নিয়ে আলোচনার চেস্টা করা হবে।সিলেটের ইতিহাস (সংক্ষিপ্ত): প্রকাশিতব্য …………..

 

ম ন আলম ফরিদ সেপ্টেম্বর 25, 2007

যার অধীনে আছে: সিলটি ভাষা — mnalamfarid @ 1:09 অপরাহ্ন

Farid

স্বাগতম, আমার ব্লগে আপনাদের স্বাগতম।

 

 
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.